Dark Mode
Tuesday, 23 July 2024
Logo

দুই শতাংশের বেশি পয়েন্ট হারিয়েছে সূচক

দুই শতাংশের বেশি পয়েন্ট হারিয়েছে সূচক

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে সার্বিক সূচক কমেছে ২ দশমিক ২৭ শতাংশ। এ সময় ডিএসইর লেনদেন বেড়েছে ১৫ দশমিক ৫২ শতাংশ। স্টক এক্সচেঞ্জের সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।


পুঁজিবাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহে ডিএসইএক্স আগের সপ্তাহের তুলনায় ২ দশমিক ২৭ শতাংশ কমে ৬ হাজার ১১৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ৬ হাজার ২৫৫ পয়েন্টে। নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ সপ্তাহের ব্যবধানে ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ কমে ২ হাজার ৯৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ২ হাজার ১২৭ পয়েন্টে। শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস ১ দশমিক ৭৬ শতাংশ কমে ১ হাজার ৩৩৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ১ হাজার ৩৬০ পয়েন্টে। ডিএসইতে গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া মোট ৪১১টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৫৯টির, কমেছে ৩২০টির আর অপরিবর্তিত ছিল ২২টির। এছাড়া লেনদেন হয়নি ১০টির।

গত সপ্তাহে সূচকের পতনে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি, গ্রামীণফোন, বেক্সিমকো ফার্মা, রেনাটা, ওরিয়ন ফার্মা, স্কয়ার ফার্মা ও ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ার।

ডিএসইতে গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে ৪ হাজার ৫৩০ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যেখানে আগের সপ্তাহে লেনদেন ছিল ৩ হাজার ৫০৮ কোটি টাকা। সে হিসাবে এক্সচেঞ্জটিতে সাপ্তাহিক লেনদেন বেড়েছে ১৫ দশমিক ৫২ শতাংশ। গত সপ্তাহে ডিএসইতে দৈনিক গড়ে ৮১০ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যেখানে আগের সপ্তাহের চার কার্যদিবসে দৈনিক গড় লেনদেন ছিল ৮৭৭ কোটি টাকা। গত সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৪৮ হাজার ৮২৭ কোটি টাকা। আগের সপ্তাহে এ মূলধন ছিল ৭ লাখ ৬০ হাজার ৭২৩ কোটি টাকা। এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন কমেছে ১ দশমিক ৫৬ শতাংশ। 

খাতভিত্তিক লেনদেনচিত্রে দেখা যায়, গত সপ্তাহে ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৭ দশমিক ১ শতাংশ দখলে নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে ওষুধ ও রসায়ন খাত। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৩ দশমিক ১ শতাংশ দখলে নিয়েছে বস্ত্র খাত। ১২ দশমিক ৭ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রকৌশল খাত। মোট লেনদেনের ১০ দশমিক ৭ শতাংশের ভিত্তিতে চতুর্থ অবস্থানে ছিল খাদ্য খাত। আর সাধারণ বীমা খাতের দখলে ছিল লেনদেনের ৭ দশমিক ২ শতাংশ। 

আলোচ্য সপ্তাহে ডিএসইতে ইতিবাচক রিটার্ন হয়েছে পাট ও চামড়া খাতের। এ দুই খাতে যথাক্রমে দশমিক ৫ শতাংশ ও দশমিক ২ শতাংশ রিটার্ন এসেছে। অন্যদিকে নেতিবাচক রিটার্নে শীর্ষে ছিল খাদ্য, জীবন বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাত। এ তিন খাতে নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে যথাক্রমে ৭ দশমিক ৭, ৫ দশমিক ৩ ও ৫ দশমিক ১ শতাংশ। 

 

Comment / Reply From

Stay Connected

Vote / Poll

ঈদযাত্রায় এবছর যানজট অনেকটা কম হবার কারণ কী বলে মনে করেন?

View Results
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যথাযথ পদক্ষেপ
0%
যথাসময়ে সড়কের উন্নয়ন কাজ শেষ
100%
যানজট এখনও রয়েই গেছে
0%
21313